কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালো। আমি ও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ। আজকে আমরা যা বানাবো তা হলো colorful business card। এই business card আমি Graphic river এ প্রথম উপলোড দিছিলাম তাই আপনাদের treat হিসাবে ফ্রি দিতেছি :D দেখছেন আমি কতো ভালো ? :P :P :P :P

আপনারা চাইলে এইখানে দেখতে পারেন

আপনারাতো কার্ড দেইখা বুঝতেই পারতেছেন যে কার্ডটা কতো simple। এইখানে আলাদা ভাবে শিখার কিছুই নাই সব কিছুই অনেক বেসিক। তাই আপনারা যদি টিউটরিয়াল না দেখে দেখে বানাতে পারেন তাইলে অবশ্যই ট্রায় করবেন আর না পারলে টিউটরিয়ালতো আছেই :) । কার্ডটার একটা ছবি নিচে দেওয়া হইলো।

 03_preview

 

স্টেপ ১ – নিউ ডকুমেন্ট

প্রথমে প্রয়োজনীয় ফাইলস গুলা ডাউনলোড করে নিন। ভিতরে দেখবেন যে bc_horizontal নামে একটা PSD ফাইল আছে। ঐটার এইটা কপি তৈরি করুন তারপর আপনার নতুন psd ফাইল এর নাম দিন colorful business card। এবার ফটোশপে ওপেন করুন আপনার ফাইলটি। ওপেন করার পরে দেখবেন  যে bleed+guides নামে একটি লেয়ার আছে। ঐটা যদি activated না থাকে তাইলে চোখ আইকন এর উপরে ক্লিক করে activate করুন।

দেখতে পাবেন যে এইখানে bleed, trim, safety margin নামে ৩ টা অপশন আছে।

bleed – আপনারা ভুলে ও কখনো এই অংশের ভিতরে কোনো ধরনের টেক্সট অথবা কন্টেন্ট কিছুই দিবেন না। ব্লিড এর অংশ টুকু কেউ যখন প্রিন্ট করে কার্ড তখন কাটা পরে যায়। তাই এক অংশ সব সময়ই খালি রাখতে হয়।

trim – ট্রিম হচ্ছে আপনাদের কার্ড এর edge। edge বলতে যা বুঝায় তা হলো আপনাদের কার্ড এই লাইন এর সোজাসোজি প্রিন্ট হবে।

safety margin – এই লাইন এর ভিতরে আপনারা আপনাদের সব ধরনের কন্টেন্ট এবং টেক্সট দিতে পারবেন। এইটার ভিতরের সব কিছু সম্পূর্ণ ভাবে safe।

0.0

 

এবার আমরা জেনে নেই কার্ড এর সাইজ, কালার মোড, resolution এইসব কি !

color mode – CYMK

Document size – 3.75 inchi x 2.25 inchi ( .25 bleed)

document resolution – 300 DPI

আপনাদের এই ডকুমেন্টে এইসবের কোনো সেটিংস্‌ই দিতে হবে না কারণ এই ডকুমেন্টে সব কিছু দেয়াই আছে। ডকুমেন্টটি মূলত graphic river থেকে নেওয়া যার কারনে ওরা সব কিছুর সেটিংস্‌ দিয়াই রাখছে আমার শুধু ডাউনলোড করে ডিজাইন করতে হইছে :)

  স্টেপ ২.১ – ফ্রন্ট সাইড

1

প্রথমে আপনার টুলস এর foreground color   দিন # 3b3c3d। এবার paint bucket tool ক্লিক করুন এবং আপনার ডকুমেন্ট এর উপরে একটি ক্লিক করুন।

1.1

এবার আমরা হাল্কা noise অ্যাড করবো ব্যাকগ্রাউন্ডে। noise অ্যাড করতে filter>noise>add noise এ ক্লিক করুন।

1.2

এবার নিচের ছবির মতো সেটিংস দিন।

1.3amout – 2.70/ Gaussian।

প্রয়োজনীয় ফাইলস এ neou নামে ২ টি ফন্ট ফন্ট আছে ইন্সটল করে নিন। এবার BOLD ফন্টটি দিয়ে 4 লিখুন এবং thin ফন্টটি দিয়ে marketing লিখুন।

4 এর সাইজ হবে ২৮ পিক্সেল আর marketing এর সাইজ – 14 pixel

নোট – 4 এবং marketing এই ২ টি টেক্সট অবশ্যই আলাদা লেয়ারে লিখবেন। নাইলে 4 সংখ্যাটিকে আমরা মাঝখানে রাখতে পারবো না।

2

এবার দেখুন আপনার ডকুমেন্ট দেখতে আমার টার মতো হয়েছে কিনা। আরেকটা জিনিস লক্ষ রাখতে হবে যে, আপনার টেক্সট যাতে উপর, নিচ, ডানে, বায়ে সব দিক থেকে সমান spacing থাকে।

তা করতে প্রথম 4 এবং marketing লেখাটিকে সিলেক্ট করুন। এবার align vertical centers এ ক্লিক করুন। এই অপশন আপনার 4 এবং marketing লিখাটিকে  ঠিক মাঝ বরাবর রাখবে।

2.2

এবার 4,  marketing এবং ব্যাকগ্রাউন্ড এই ৩ টি লেখাকেই সিলেক্ট করুন। তারপর আবার উপরের ছবির মতো align vertical centers দিন। এইটা দিলে আপনার spacing উপর এবং নিচের দিক থেকে সমান হবে।

এখন যেহেতু উপর আর নিচের দিক থেকে spacing টা ঠিক আছে আমরা দেখে নেই ডানের আর বায়ের spacing টা কিভাবে ঠিক করে। Normally আপনি যদি শুধু align horizontal centers ক্লিক করেন তাইলেই ডানের এবং বামের spacing সমান হয়ে যায়। আপনারাও যদি 4, marketing and background সিলেক্ট করে align horizontal center ক্লিক করেন তাইলে দেখবেন যে একটা প্রবলেম create হয় এবং তা হলো 4 এবং marketing এই ২ টা একটা অন্যটার উপরে উঠে যায়। নিচের ছবির মতো,

2.3

আমরা কিন্তু এরকম চাই না। আমরা চাই 4 এবং marketing টা একটা আরেকটার পাশে যেনো থাকে এবং তার পরে যেনো ডানের এবং বায়ের spacing ঠিক থাকে। আমি যেভাবে  এই প্রবলেম এর সমস্যা সমাধান করি তা হলো,

4 এবং marketing গুলাকে নিজের ইচ্ছা মতো পাশাপাশি বসান। ভুলেও কখনো down অথবা up arrow ব্যাবহার করবেন না। এতে আমাদের vertical alignment নষ্ট হয়ে যাবে। শুধু right and left arrow ব্যাবহার করে 4 এবং marketing লেখাটিকে একটা আরেকটার পাসে বসান। এবার 4 এবং marketing লেয়ার ২ টাকে সিলেক্ট করুন তারপর ctrl+J ক্লিক করে এই ২ টা লেয়ার এর একটি কপি তৈরি করি। original layer গুলাকে এবার inactive করে দিন এবং কপি করা লেয়ার গুলাকে ctrl + E ক্লিক করে merge করে নিন। এবার নতুন merge করা লেয়ার আর background লেয়ার সিলেক্ট করুন তারপর align horizontal center এ ক্লিক করুন।

2.4

এবার আপনার আগের লেয়ার গুলাকে active করুন এবং merge করা লেয়ার এর নিচে নিয়ে place করুন। so যেখানে merge করা লেয়ার 4 আছে ঐখানে আপনার main 4 টা রাখুন এবং যেইখানে marketing লেখা আছে সেইখানে marketing লেখুন। এবার merge করা লেয়ারটিকে ডিলিট করে দিন।

এর থেকে ভালো উপায় আসলে আমার জানা নেই এই প্রবলেম এর ক্ষেত্রে হয়তো বা আপনারা জানেন better কোনো উপায় যদি জেনে থাকেন অবশ্যই আমাকে জানাবেন।

আরেকটি বেপার আপনি নিশ্চয় ভাবতে পারেন যে এতো পেচানোর দরকার কি merged লেয়ার টারে রেখে দিলেইতো হয়। well, হয়। বাট আমার মেইন লেয়ার গুলা রাখতে ভালো লাগে। আমি যখন ফটোশপ করি সব সময় ট্রায় করি যে আমার লেয়ার গুলা যাতে merged না হয় অথবা লেয়ার গুলা যেনো আলাদা আলাদা থাকে যাতে আমি পরে এডিট করতে পারি যখন ইচ্ছা।

যাই হোক আমি যত টুকু পারি আপনাদের বুঝানোর ট্রায় করছি যে আসলে কোনটা কি করে কিন্তু তারপরও যদি আপনারা না বুঝেন তাইলে আমারে অবশ্যই কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন। আমি আপনারে অবশ্যই হেল্প করার ট্রায় করবো। আর কমেন্ট করার আগে নিজে নিজে একটু practice কইরা দেইখা নিবেন যে কোনটা কি করে।

  স্টেপ ২.২

এবার background লেয়ার টিকে একটা গ্রুপে নিয়ে background লিখে দিন। এবং 4 আর marketing লায়ের টিকে সিলেক্ট করে ctrl + G ক্লিক করে আরেকটি গ্রুপে নিয়ে নিন এবং নাম দিন font side.

2.5

 স্টেপ ৩ – ব্যাক সাইড

2

এবার আসলাম আমরা ব্যাক সাইডে !

প্রথমে আপনার bleeds+guids লেয়ারটি activate করে নিন। এতে আপনার কন্টেন্ট কতো টুকু ভিতরে রাখতে পারবেন তা দেখতে সুবিধা হবে।

প্রথমে টেক্সট টুল সিলেক্ট করুন। তারপর neou bold ফন্ট এবং ১২ সাইজ দিয়ে JOHN DOE অথবা আপনাদের নিজেরদের ইচ্ছা মতো কিছু একটা লিখুন। এবার graphic designer লিখুন ফন্ট সাইজ 7 pixel দিয়ে। লক্ষ করে দেখুন যে আমার DOE এর E লেখা আর DESIGNER এর R লেখা কিন্তু vertically সমান। এইভাবে আপনারা যদি সমান করতে চান তাইলে john and designer লেয়ারটিকে সিলেক্ট করে align right edges ক্লিক করুন তাইলে দেখবেন যে ২ তার সাইড গুলা এক হইছে।

3.1

3.2

এবার আমাদের লাল নীল চকচকা বক্স গুলা আকার পালা। এই বক্স গুলা আঁকা এতই সোজা যে আপনাদের বুঝিয়ে বলার কিছু নাই যে কিভাবে এগুলা আঁকতে হয় কিন্তু আমি আপনাদের আমার বক্স গুলার কিছু প্রয়োজনীয় পয়েন্টস গুলা বলি।

যেমন ধরুন,

আমার বক্স গুলার height  – ২৮১ পিক্সেল

বক্স এর in between spacing হইতেছে ১০ পিক্সেল

বক্স গুলার কালার হইতেছে – Dark green – # 39b800,  light green – #7dc54a

Dark pink – #a4003d, Light pink – #d20450

Dark yellow – #d2bf0b, Light yellow – #f8e30d

Dark blue – #007aac, Light blue – 45a8e0

 

আমি আপনাদের কিভাবে এই বক্স গুলা বসাবেন তা স্টেপ বায় স্টেপ বলতেছি না কারণ আমার মতে এটি এতই সোজা যে একবারে detailed ভাবে explain করাটা জরুরী না। কিন্তু একটি টিপস অবশ্যই দিবো তা হলো, প্রথমে একটি বক্স আঁকার পরে এই বক্স এরই ২ টা কপি তৈরি করুন এবং cursor ব্যাবহার করে ছোট বড় করে নিন অথবা arrow ব্যাবহার করে ডানে বায়ে সরান। এতে  অনেক বড় একটি উপকার হয় এবং তা হলো,

- আপনার সব গুলা বক্স এর সাইজ এক হয়েছে কিনা তা নিয়ে ভাবতে হয় না।

- আপনার সব কন্টেন্ট এর alignment গুলা ঠিক আছে না নাকি তা নিয়ে ভাবতে হয় না।

এবার আপনারা নিজের ইচ্ছা মতো বক্স দিন, কালার দিন যা ইচ্ছা করুন এতে আমার কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু আমি ৪ টা কালার ব্যাবহার করছি আমার কার্ডে এবং সেটিংস্‌ দিয়েছি উপরে যেভাবে যেভাবে explain করলাম ঠিক সেভাবে।

3.3

আরেকটি জিনিস আপনাদের বলি যে, আমি কিন্তু আমার ছোট ছোট বক্স গুলাতে লাইট কালার ব্যাবহার করেছি এবং চওড়া বক্স গুলায় ডার্ক কালার । লাইট এবং ডার্ক কালা গুলা উপরে দিয়েই দিয়েছি আপনারা চাইলেই নিতে পারেন :)

  স্টেপ ৪ – আইকনস

প্রয়োজনীয় ফাইলসমূহ থেকে আইকন গুলা ডাউনলোড করে নিন। তারপর ছোট বক্স গুলায় ড্রাগ অ্যান্ড ড্রপ করুন। এবার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী move টুল দিয়ে আইকন গুলাকে বক্স এর মাঝামাঝি বসান।

4.1

 

  ফাইনাল স্টেপ  – টেক্সট

প্রথমে আমরা দেখবো যে আমাদের bleeds and guides লেয়ারটি activated আছে কিনা। Activated না থাকলে লেয়ার pallet এর চোখের উপরে ক্লিক করে activated করে নিন। activate করার কারণটি হচ্ছে এই যে, বিজনেস কার্ডের প্রথম রুলস হলো কোনো কন্টেন্ট যাতে safety margin এর বাইরে না যায়। আমাদের সব কন্টেন্ট safety margin এর ভিতরে রাখতে হবে তানাহলে হয়তো কার্ডের কোনো অংশ প্রিন্ট করার সময় কাটা পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশী।

এখন কীবোর্ড এ T ক্লিক করে টেক্সট টুল একটিভেট করে নিন। তারপর neou bold 7 pixel এর সেটিংস্‌ দিয়ে Address, Email, Website, Phone লিখে নিন। টেক্সট গুলার কালার দিন 3d3d3b।

নোটঃ একটি বেপার সব সময় খেয়াল রাখেন আর তা হলো, alignment! আপনি যাই লিখবেন, যা কিছুই লিখবেন আপনার টেক্সট এর alignment যেনো ঠিক থাকে তার দিকে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। alignment নিয়ে উপরে অনেক বার বিস্তারিত বলা হয়েছে যার কারনে আমি এইখানে আর আপনাদের কে বুঝিয়ে কিছু বলবো না।

এবার আমরা Address এর জায়গায়  আমাদের address দেই এবং phone number এর জায়গায় phone number. নোটিস করবেন হয়তো যে, আমি আমার ফোন নাম্বারের জায়গায় neou bold ফন্ট টা ব্যাবহার করছি আর বাদ বাকি কন্টেন্ট এর জায়গায় nayla পিক্সেল ৭, কালার #ffffff white ব্যাবহার করছি। এটা করা কিন্তু ঠিক না কারণ এতে আপনার কার্ড এর ধারাবাহিকতা থাকে না। কিন্তু আমার ফোন নাম্বার এর টেক্সট গুলা অনেক ভালো লাগায় আমি বসায়া দিছি। আপনারা এটা এড়িয়ে চলার ট্রায় করবেন আশা করি :P

যাই হোক এখন আপনার কার্ড দেখতে নিচের ছবির মতো হয়েছে কিনা দেখে নিন।

5.1

 

উপরের screenshot এ কিন্তু bleeds and guides লেয়ারটা activate করা যার কারনে দেখতে এমন হ-য-ব-র-ল লাগতেছে। আপনারা যখন bleeds and guides লেয়ারটাকে deactivate করে দিবেন তখন দেখবেন দেখতে অনেক জোস এবং সুন্দর দেখাইতেছে।

এরই সাথে শেষ হয়ে গেলো আমাদের business card বানানো।

2

আপনারা হয়তো খেয়াল করছেন যে, আমি অনেক কিছুই detailed ভাবে বলি নি, যেমন বক্স এর width, height length অথবা কি ক্লিক করলে কোন টুলে ক্লিক করলে বক্স আঁকা যায়। এগুলা এতো বেসিক যে আমি এতো detailed ভাবে বলার দরকার মনে করি নাই। আশা করি আপনাদের এতে কোনো সমস্যা হবে না কারণ আপনারা যদি নিজেদের business card বানানোর মতো অবস্থানে আছেন বলে মনে করেন তাইলে বেসিক জিনিস গুলা already জানারই কথা।

কার্ড শেষ করার আগে back side এর সব লেয়ার গুলিকে একটি ফোল্ডারে নিয়ে ফোল্ডার এর নাম back side দিতে অবশ্যই ভুলবেন না।

যাই হোক, বিজনেস কার্ডতো বানানো শেষ এইবার আমরা দেখি যে কিভাবে আমাদের কার্ডটাকে সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায়। এখন আপনি এতো সুন্দর একটা কার্ড বানাইলেন কিন্তু ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে যদি না পারেন আপনার কার্ডের আসল রূপ বাইর করতে পারবেন না :P :P :P

03_preview

উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন যে, আমরা কিভাবে অনেক সুন্দর করে আমাদের কার্ড টাকে present করেছি। প্রথমে আপনাদের বলে নেই যে, ডিজাইনটা কিন্তু  already করাই আছে আমরা শুধু আমাদের কার্ড টাকে বসাবো আর কিছু না। আমরা নিজে ডিজাইন তৈরি করবো না। আমি আসলে এখনো শিখতে পারি নাই কিভাবে এরকম একটি কার্ড উপস্থাপন করা যায় আমি শুধু এইটুকু জানি যে, বানানো ডকুমেন্টে কিভাবে আমার কার্ড বসানো যায়। বুঝতে পারছেন না কি বলতে চাচ্ছি ?? একটু পরেই বুঝবেন আশা করি…

শুরুতে mock up নামে একটি পিএসডি ফাইল আছে ডাউনলোড ফোল্ডার এর ভিতরে ঐটা ওপেন করুন। ওপেন করার পরে দেখবেন যে,  আমাদের ডকুমেন্টটি দেখতে নিচের ছবির মতো দেখাচ্ছে, এর কারণ হচ্ছে আমরা অন্য জনের মক আপ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দিয়ে উনাদের মক আপে নিজের কার্ড বসাবো। যার কারনে আপাতত উনাদের কার্ড বসানো আছে আমাদের টি নেই।

6

ফাইলটি লেয়ার পালেট এর দিকে খেয়াল করুন । কি দেখতে পাচ্ছেন ?

- background ( দরকার ছাড়া এই ফোল্ডারে কখোনো হাত দিবেন না। যদি  আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড change করার ইচ্ছা থাকে তাহলে এই ফোল্ডারে কাজ করতে পারেন অথবা ব্যাকগ্রাউন্ড এর brightness and contrast এইসব হাবি জাবি change করতে চাইলেও এই ফোল্ডারে ঢুকে তা করতে পারেন। )

- content (আমরা মুলত কাজ করবো এই ফোল্ডারে। )

- light ( আমার লাইট টা পছন্দ না তাই আমি কার্ডে ব্যাবহার করি নাই আপনাদের ভালো লাগ্লে activate করে নিবেন)

7

এবার content ফোল্ডার টিকে expand করুন দেখবেন যে, নিচের ছবির মতো অনেক গুলি লেয়ার আছে।

8

 

উপরের লেয়ার গুলি থেকে আমরা শুধু “font” আর “back” এই দুটি লেয়ার নিয়ে কাজ করবো আর অন্য গুলা যেরকম আছে সেরকমই থাকবে।

9

 

এবার Front লেয়ারটির উপরে রাইট ক্লিক করুন দেখবেন যে, edit content নামে একটি অপশন আছে, ঐটায় ক্লিক করুন। ক্লিক করলে দেখবেন যে পুরা লেয়ার টি একটা নতুন ট্যাবে ওপেন হইছে।

10

 

 নোট – আপনি যদি লেয়ার এর thumbnail এর উপরে রাইট ক্লিক করেন তাইলে কিন্তু edit content এর অপশন পাবেন না। আপনাকে অবশ্যই লেয়ার এর উপরে রাইট ক্লিক করতে হবে, thumbnail এর উপরে না।

 

এবার আমরা এতক্ষন যেই কার্ড গুলা বানালাম তার ২ সাইডের ২ টা jpeg ফাইল তৈরি করতে হবে আমাদের। jpeg ফাইল কিভাবে তৈরি করে তা নিশ্চয়ই আপনারা জানেন কিন্তু যারা জানেন না তাদের বলতেছি যে, আপনারা যদি file > save as > drop down menu – jpeg সিলেক্ট করেন তাইলেই jpeg এ আপনাদের ইমেজ save হওয়ার কথা।

এবার নতুন ওপেন হওয়া ট্যাবে আমাদের jepg ফাইলটাকে place করবো ঠিক এভাবে,

11

 

যেহেতু এটি ফ্রন্ট সাইড তাই আমরা আমাদের কার্ডের ফ্রন্ট সাইড ব্যাবহার করলাম। front side টি ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে cursor টেনে ছোট বড় করে এভাবে

place করুন। তারপর ctrl + s দিয়ে অথবা Menu>file>save দিয়ে save করে নিন। এবার দেখুন magic !!!!!!!

 

12

 

ঠিক একই ভাবে back side টিকেও করুন করে bdgeeks group এ পোস্ট করে আমাকে অবশ্যই দেখাবেন যে, কতো টুকু পারছেন আর কোন জায়গা পারেন নাই অথবা বুঝেন নাই। আপনাদের যেই জায়গা বুঝতে অসুবিধা হয় আমাকে অবশ্যই কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন।

ফ্রন্ট এবং ব্যাক সাইড বানানো শেষে আপনি ডকুমেন্ট টিকে jpeg হিসাবে save করে নিতে পারেন অথবা psd হিসাবেও save করতে পারেন যাতে পরবর্তীতে এসে আবার edit করতে পারেন।

এরকম অনেক mock up আছে ইন্টারনেটে যা আপনারা চাইলেই ডাউনলোড করতে পারেন এবং আরও অনেক অনেক practice করতে পারেন। mock up দেখতে যতটা কঠিন মনে হয় আসলে কিন্তু এতোটা কঠিন না তবে mock up নিজের হাতে বানানো হয়তো খানিকটা কষ্টের।

যাই হোক, আমাদের আজকের টিউটরিয়ালের সমাপ্তি এইখানেই। আমি এই কার্ড মনে হয় ২০ দিনে শেষ করছি এবং তার কারণ এই না যে, কার্ডটি বানাতে অনেক কষ্ট অথবা বুঝাতে অনেক কষ্ট বরং আমি একটু লিখি তারপরে অন্য কাজ করি অথবা লিখার সময় হয়া উঠে নাই সব সময় আর পরের বার লিখতে বসলে কোন জায়গা থাইকা লিখতেছি তা আর মনে থাকে না তাই আমি যদি কোনো অংশ ভুল বলে থাকি অথবা মিস দিয়ে থাকি তাইলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন আমি ডকুমেন্টি এডিট করে দিবো। ধন্যবাদ সবাইকে সাথে থাকার জন্য :)

ট্যাগসমূহ:

লেখক: ইরা আহমেদ

উনারে অনেক ভালোবাসি আর ভালোবাসি শিখাইতে...।। মানুষকে হাসাইতেও অনেক ভালো লাগে :) ফটোশপিং করা ব্লগ এ টিউটরিয়াল লেখা এবং উনার সাথে অনেক অনেক গল্প করা আমার শখ, অভ্যাস অথবা আমার দৈনন্দিন জীবন বলতে পারেন। ( University khular age porjonto :P )



কথোপকথন শুরু হয়ে গেছে! আপনিও যোগ দিন- ইতোমধ্যে 20 টি মন্তব্য করা হয়েছে :

  1. সালমান সাকিবon September 24, 2013, at 4:04 pm Reply

    অসাধারণ!! বিজনেস কার্ডের মকআপ কিভাবে বানাতে হয় তা নিয়ে খুবই টেনশনে ছিলাম আপনার এই লেখা টি খুব কাজে লাগলো।অনেক অনেক ধন্যবাদ…..

    • ইরা আহমেদon September 25, 2013, at 9:45 pm Reply

      আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট করে কমেন্ট করার জন্য :) হেল্প করতে পেরে আনন্দিত :)

  2. saiful.dreamlandon October 1, 2013, at 10:48 pm Reply

    এত সুন্দর সুন্দর টিউটোরিয়াল পাচ্ছি………….আপু অনেক অনেক ধন্যবাদ দিলেই আপনার ঋন কখনও শোধ হবার নয়…………..ভাল থাকুন আপু,,,,,,,,,,,,,,সুস্থ থাকুন দীর্ঘক্ষন,,,,,,,,,,,,,,,,,,

    • ইরা আহমেদon October 4, 2013, at 8:58 pm Reply

      ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর কমেন্ট এর জন্য :) দোয়া করবেন অনেক আমাদের জন্য তাইলেই ঋণ শোধ হয়ে যাবে :)

  3. Rafiqon October 5, 2013, at 4:53 pm Reply

    I can’t upload my business card to your blog. can u tell me how do I upload my card ?

  4. mamun00on October 7, 2013, at 3:01 am Reply

    thanks

  5. naimon December 15, 2013, at 6:37 pm Reply

    sob kisu ki graphicriver theke download kore kaj korte hobe or nijhe kore upload korte hobe konta?????????????

    • ইরা আহমেদon December 15, 2013, at 10:12 pm Reply

      আপনি গ্রাফিক রিভার থেকে শুধু টেমপ্লেট ডাউনলোড করতে পারবেন আর কিছু না। বাদ বাকি সব আপনারে নিজে করতে হবে।

  6. naimon December 16, 2013, at 2:47 am Reply

    apu, ami kivabe template download korbo bujsi na..eta ki kinte hobe???
    r deposit mane ki???????????

    • ইরা আহমেদon December 16, 2013, at 12:00 pm Reply

      টেমপ্লেট তো আমি ডাউনলোড সোর্স এ দিয়াই দিছি ভাই আপনি এই টিউটরিয়ালের ডাউনলোড সোর্স ডাউনলোড করলেই পাইতেন। গ্রাফিক রিভার থাইকা ডাউনলোড করলে আপনারে কিনতে হইবো না। it’s better if you just go there open an account and see what’s free what’s not and how everything works! deposit মানে টাকা জমা রাখা যাতে পরে যেকোনো কাজে টাকাটা খরচ করতে পারেন!

  7. hthelalon January 11, 2014, at 3:56 pm Reply

    গ্রাফিকরিভারে কিভাবে কাজ সাবমিসন করতে হয় এই বিষয়ে পুর্নাঙ্গ একটি টিউটোরিয়াল প্রয়োজন। আজ পর্যন্ত কোথাও এই বিষয়ে বাংলা টিউটোরিয়াল দেখিনি। অনেকে ভাল কাজ করেও সঠিক পদ্ধতি না জানার কারনে কাজ সাবমিট করতে পারেন। তাছাড়া কেন কাজ সাবমিট হয়নি এই বিষয়ে গ্রাফিকরিভার বিস্তারিত কিছু বলেনা । তাই আসা করছি এই বিষয়ে একটি টিউটোরিয়াল বা ভিডিও টিউটোরিয়াল অতি ধ্রত দেয়া হোক।

  8. Titir Ahmedon February 23, 2014, at 9:55 am Reply

    this mock up is really awesome. I’ve done. thanks a lot appi.

  9. salamon March 8, 2014, at 1:11 pm Reply

    ami ki apnar video post gular link pete pari

  10. রাকিবুল হাবিবon May 9, 2014, at 6:51 pm Reply

    Safety Margin এর ভিতরে কত ইঞ্চি*কত ইঞ্চি জায়গা পাব???

  11. Ariful islamon June 15, 2014, at 5:49 am Reply

    Nice post, I like this, sometime I come here to know more.

  12. Ahmed Sajalon November 6, 2014, at 11:33 pm Reply

    আপু ফ্লাইয়ার ডিজাইনের একটা টিউটোরিয়াল দিলে ভালো হত।

  13. সননon December 8, 2014, at 12:18 pm Reply

    নতুন কিছু শিখতে পেরে অনেক ভাল লাগতেছে।
    ধন্যবাদ :)

  14. Alxon June 8, 2015, at 9:15 am Reply

    সুন্দর

Leave a Reply to সনন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *